ডিজিটাল অর্থের যুগে সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো বিটকয়েন (Bitcoin)।
এটি বিশ্বের প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি। যা কোনো ব্যাংক, সরকার বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলে।
বিটকয়েনের যাত্রা শুরু হয় ২০০৯ সালে। সাতোশি নাকামোটো (Satoshi Nakamoto)—এই মুদ্রাটি তৈরি করেন।
আজ পর্যন্ত কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না সাতোশি আসলে কে!
তবে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি মুদ্রা তৈরি করা, যা সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রীভূত (decentralized) হবে এবং অনলাইন লেনদেনে ব্যাংকের মধ্যস্থতা ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে।
বিটকয়েনের পেছনের প্রযুক্তি হলো ব্লকচেইন (Blockchain)।
আরও পড়ুন: নতুন রেকর্ড গড়ল বিটকয়েন, দাম ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার
এটি এক ধরনের উন্মুক্ত ডিজিটাল রেজিস্টার, যেখানে প্রতিটি লেনদেনের তথ্য নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং সহজে পরিবর্তন করা যায় না।
এই প্রযুক্তিই এখন বিশ্বের বহু নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফাইন্যান্স সিস্টেমের ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুরুর দিকে বিটকয়েনের দাম ছিল প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। কিন্তু ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় এর মূল্য আকাশছোঁয়া হয়।
ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) শীর্ষ ডিজিটাল মুদ্রা প্রতি বিটকয়েন (BTC) বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭২২ ডলারে। যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৩ টাকায়।
বর্তমানে বিনিয়োগকারীর কাছে “ডিজিটাল সোনা” হিসেবে পরিচিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিটকয়েন বিশ্ব অর্থনীতিতে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে।
যদিও এর দামের অস্থিরতা ও নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে এখনো বিতর্ক রয়েছে, তবুও এটি ডিজিটাল ফিনান্স জগতের এক অবিস্মরণীয় আবিষ্কার হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।









