বর্তমান ডিজিটাল যুগে টাকা লেনদেন এখন অনেক সহজ ও দ্রুত। এর বড় ভূমিকা রাখছে ডিজিটাল ওয়ালেট (Digital Wallet)।
এটি এমন একটি অ্যাপ বা অনলাইন ব্যবস্থা, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের অর্থ বা কার্ডের তথ্য নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করে সহজেই লেনদেন, বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ ও অনলাইন কেনাকাটা করতে পারেন।
ডিজিটাল ওয়ালেট মূলত মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
যেমন—বিকাশ, নগদ, রকেট, পেপ্যাল, গুগল পে বা অ্যাপল পে।
এসব ওয়ালেটে টাকা যোগ করা যায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, কার্ড বা অন্য ওয়ালেট থেকে।
আরও পড়ুন: স্ট্যাবল কয়েন: ক্রিপ্টো দুনিয়ার স্থিতিশীল মুদ্রা
এরপর ব্যবহারকারী কিউআর কোড স্ক্যান করে বা নম্বর দিয়ে অর্থ পাঠাতে পারেন।
ওয়ালেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গতি ও নিরাপত্তা।
প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপশন ও নিরাপদ সার্ভারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
এছাড়া ব্যবহারকারীর পিন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি ব্যবহারের কারণে অর্থ হারানোর ঝুঁকি অনেক কমে গেছে।
ডিজিটাল ওয়ালেটের জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিশেষ করে করোনাকালের পর থেকে, যখন মানুষ নগদ টাকা এড়িয়ে কন্টাক্টলেস পেমেন্টে আগ্রহী হয়।
বর্তমানে শুধু অনলাইন কেনাকাটা নয়—দোকান, রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে রাইড-শেয়ারিং পর্যন্ত সবখানেই ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে ডিজিটাল ওয়ালেট হবে সম্পূর্ণ ক্যাশলেস অর্থনীতির মূল চালক।
যেখানে কাগজের টাকা আর প্রয়োজন পড়বে না—সব কিছু চলবে স্মার্টফোনের একটি টাচেই।









