ক্রিপ্টো দুনিয়ার সবচেয়ে মজার ও আলোচিত কয়েনগুলোর মধ্যে একটি হলো ডজকয়েন (Dogecoin)। শুরুতে এটি ছিল কেবল ইন্টারনেটের এক ধরনের রসিকতা।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে এটি আজ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল মুদ্রায় পরিণত হয়েছে।
ডজকয়েনের যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে।
এটি তৈরি করেছিলেন দুই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার — বিলি মার্কাস (Billy Markus) এবং জ্যাকসন পামার (Jackson Palmer)।
তারা জনপ্রিয় “Doge” মিমের শিবা ইনু কুকুরের ছবি ব্যবহার করে মজার ছলে এই কয়েনটি চালু করেন।
কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই কয়েন।
আরও পড়ুন: টনকয়েন: টেলিগ্রাম থেকে তৈরি হওয়া দ্রুত ও স্মার্ট ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক
ডজকয়েন কাজ করে ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে।
যা বিটকয়েনের মতোই বিকেন্দ্রীভূত (decentralized) লেনদেন ব্যবস্থা প্রদান করে।
এতে ব্যবহৃত হয় প্রুফ অব ওয়ার্ক ( Proof of Work (PoW) সিস্টেম, যেখানে কম্পিউটারের মাধ্যমে লেনদেন যাচাই করা হয় ও নতুন কয়েন তৈরি হয়।
তবে ডজকয়েনের লেনদেনের গতি তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং ফি অনেক কম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডজকয়েনের জনপ্রিয়তা বাড়ে মূলত ২০২১ সালে। যখন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক (Elon Musk) একে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন।
এরপর থেকেই এর দাম হঠাৎ বেড়ে যায় এবং এটি কোটি কোটি ডলারের বাজারমূল্য অর্জন করে।
আজ ডজকয়েন শুধু মিম নয়—বরং ক্রিপ্টো দুনিয়ায় এক বাস্তব অর্থনৈতিক শক্তি।
অনেক প্রতিষ্ঠান এখন এটি অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবেও গ্রহণ করছে।









