বিটকয়েনের পর ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতে সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো ইথেরিয়াম (Ethereum)।
এটি শুধু একটি ডিজিটাল মুদ্রাই নয়, বরং এমন একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নানা ধরনের স্মার্ট কনট্র্যাক্ট ও বিকেন্দ্রীভূত অ্যাপ (DApp) তৈরি করা যায়।
ইথেরিয়াম চালু হয় ২০১৫ সালে, কানাডিয়ান প্রোগ্রামার ভিটালিক বুটেরিন (Vitalik Buterin)-এর উদ্যোগে।
তার উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি সিস্টেম তৈরি করা, যেখানে শুধু লেনদেন নয়, বরং কোড ও প্রোগ্রামও নিরাপদভাবে ব্লকচেইনের মাধ্যমে চালানো যাবে।
ফলে এটি শুধু টাকা পাঠানোর মাধ্যম নয়, বরং একটি ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করে।
আরও পড়ুন: বিটকয়েন: ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতে শূন্য থেকে ১ লাখ ডলার
ইথেরিয়ামের মূল মুদ্রার নাম ইথার (ETH), যা এই নেটওয়ার্কে লেনদেন ও অ্যাপ চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
এর পেছনের প্রযুক্তি বিটকয়েনের মতোই ব্লকচেইন-ভিত্তিকG
তবে এতে যুক্ত হয়েছে স্মার্ট কনট্র্যাক্ট (Smart Contract) — এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় চুক্তি, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলেই নিজে থেকেই কার্যকর হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইথেরিয়াম ভবিষ্যতের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ওয়েব ৩.০-এর অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠছে।
এটি বিকেন্দ্রীভূত অর্থব্যবস্থা (DeFi), এনএফটি (NFT) ও বিভিন্ন অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার বাড়াচ্ছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববাজারে ইথেরিয়াম (ETH) বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৮ ডলারে। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।









