পৃথিবীর দুটি ভূখণ্ড হঠাৎ পরস্পরের পাশ দিয়ে সরে গেলে চ্যুতি বরাবর যে শক্তি মুক্ত হয়, সেটিই ভূমিকম্প।
ভূগর্ভে উৎপত্তিস্থলকে বলা হয় হাইপোসেন্টার এবং এর ঠিক ওপরের স্থানে থাকে উপকেন্দ্র।
বড় ভূমিকম্পের আগে ছোট ফোরশক দেখা দিতে পারে এবং মূল কম্পনের পর আফটারশক চলতে থাকে সপ্তাহ কিংবা মাসজুড়ে।
আরও পড়ুন: ভূমিকম্পের আগাম সংকেতে প্রাণীর আচরণ নিয়ে নতুন পর্যবেক্ষণ
টেকটোনিক প্লেটের সীমানায় এসব কম্পন বেশি ঘটে।
সিসমোগ্রাফে তরঙ্গের নড়াচড়া দেখে ভূমিকম্পের মাত্রা, শক্তি ও উৎপত্তিস্থল নির্ণয় করা হয়।
তবে আধুনিক প্রযুক্তি উন্নত হলেও ভূমিকম্পের সঠিক পূর্বাভাস এখনো সম্ভব হয়নি।









