ডিজিটাল দুনিয়ায় নতুন এক বিষয় যা সব দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তা হলো মেটাভার্স (Metaverse)।
এটি এমন একটি ভার্চুয়াল বা অনলাইন বিশ্ব, যেখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR), অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) ও থ্রিডি পরিবেশের মাধ্যমে বাস্তবের মতোই যোগাযোগ, কাজ ও বিনোদন করতে পারেন।
সহজভাবে বললে, এটি একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল জগৎ যেখানে মানুষ তাদের ভার্চুয়াল অবতার ব্যবহার করে অন্যের সঙ্গে মিলে কাজ করতে বা মজা করতে পারে।
মেটাভার্সের ধারণা প্রথম প্রকাশ পায় ১৯৯২ সালে, নিউম্যানের “স্নো ক্র্যাশ (Snow Crash)” নামের উপন্যাসে।
কিন্তু বাস্তব দুনিয়ায় এটি প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, বিশেষ করে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট, অগমেন্টেড রিয়ালিটি প্রযুক্তি, ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি একসঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে।
মেটাভার্স কাজ করে ভার্চুয়াল পরিবেশ ও ব্লকচেইন প্রযুক্তির সংমিশ্রণে।
আরও পড়ুন: এনএফটি: সম্পদের মালিকানা বদলে দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি
এখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল পৃথিবীতে উপস্থিত হয়।
ডিজিটাল সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে এবং এনএফটি ও ক্রিপ্টো টোকেনের মাধ্যমে মালিকানা নিশ্চিত করতে পারে।
এছাড়া এটি সামাজিক মিটিং, শিক্ষা, গেমিং এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেটাভার্স ভবিষ্যতে ইন্টারনেট ও বাস্তব জীবনের মিলন ঘটাবে।
এটি কেবল বিনোদন নয়—শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক লেনদেনেও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে।
ডিজিটাল দুনিয়ার এই নতুন জগৎ আগামী কয়েক বছরে আমাদের জীবনযাত্রাকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।








