ডিজিটাল দুনিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তিগুলোর একটি হলো এনএফটি (NFT)।
যার পূর্ণরূপ Non-Fungible Token।
এটি এমন এক ধরনের ডিজিটাল সম্পদ (Digital Asset)।
যা কোনো ছবি, ভিডিও, সংগীত, ডিজাইন বা অনলাইন শিল্পকর্মের মালিকানা প্রমাণ হিসেবে ব্লকচেইনে সংরক্ষিত থাকে।
সহজভাবে বললে—যে কেউ অনলাইনে ছবিটি দেখতে পারে, কিন্তু এর আসল মালিক একটিই, আর সেই মালিকানা প্রমাণ করে।
আরও পড়ুন: স্ট্যাবল কয়েন: ক্রিপ্টো দুনিয়ার স্থিতিশীল মুদ্রা
এনএফটির ধারণা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে ২০২০ সালের দিকে।
তবে এর সূচনা হয়েছিল ২০১৭ সালে।
সেই সময় “CryptoKitties” নামের একটি ব্লকচেইন গেম প্রথমবারের মতো এনএফটি ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
পরে শিল্পী ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে।
এনএফটি কাজ করে মূলত ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর, বিশেষ করে ইথেরিয়াম (Ethereum) নেটওয়ার্কে।
প্রতিটি এনএফটির থাকে একটি অনন্য কোড বা আইডি, যা কপি বা পরিবর্তন করা যায় না।
যখন কোনো শিল্পকর্ম এনএফটি হিসেবে প্রকাশ করা হয়, তা ব্লকচেইনে রেকর্ড হয়ে যায় এবং লেনদেনের ইতিহাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এনএফটি শিল্প, সংগীত, গেমিং ও ভার্চুয়াল সম্পদের জগতে নতুন বিপ্লব এনেছে।
অনেক শিল্পী এখন তাঁদের ডিজিটাল কাজ সরাসরি বিক্রি করতে পারছেন কোনো মধ্যস্থ প্রতিষ্ঠান ছাড়াই।
ভবিষ্যতে এটি ডিজিটাল মালিকানা ও কনটেন্ট সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।









